দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল ও টেকসই করতে সরকার দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন হবে এবং কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা, অসহায় মানুষের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের (তৃতীয় পর্যায়) ফলাফল প্রদর্শনী ও মৎস্যচাষিদের মধ্যে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী।
হুইপ অপু বলেন, দেশের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। অনেক খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা সেচসংকটে পড়ছেন। এসব খাল পুনঃখনন করা হলে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করা যাবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেই পানি সেচের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং ফসলের উৎপাদন বাড়বে।
তিনি বলেন, কৃষির পাশাপাশি মৎস্য খাতের উন্নয়নেও সরকার সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে মৎস্যচাষিদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং গ্রামীণ মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি পাবে।
দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার বিষয়ে হুইপ অপু বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অসহায় অবস্থায় ফেলে না রাখা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ঢেউটিন, নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কৃষক, জেলে, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে কৃষি ও মৎস্য খাতকে আধুনিক ও লাভজনক খাতে পরিণত করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, মৎস্যচাষি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপকারভোগীদের মধ্যে ঢেউটিন, আর্থিক সহায়তা, শুকনা খাবার এবং মৎস্যচাষের বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এমএম/